Diphtheria (ডিপথেরিয়া)
 |
| DPT
& Hepatitis-B Vaccine |
ডিপথেরিয়া বলতে কি বুঝায়?
ডিপথেরিয়া একটি মারাত্মক রোগ অথচ প্রতিরোধযোগ্য। করিনিব্যকটেরিয়াম ডিপথেরি (Corynebacterium
Diphtheria) নামক থেকে এই রোগ হয়। ডিপথেরিয়া আক্রান্ত শিশু ছোঁয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস বা হাঁচি কাশির মাধ্যমে বাতাসে চড়িয়ে পড়ে। এই ধরনের জীবাণু সুস্থ্য শরীরে প্রবেশ করিলে ২-৭ দিনের মধ্যে ডিপথেরিয়া হয়। এই ধরণের রেগের মৃত্যুর শতকরা ৫-২৫ ভাগ। টিকা দেওয়া না হলে সকল বয়সের মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে এই রোগের প্রাধান্য বেশী। ডিপথেরিয়ার প্রাথমিক উপসর্গ হলো গলা ব্যাথা। এই ধরনের রোগ সাধারণত টনসিল, নাক, গলায় ও শ্বাসনালীতে প্রধানত হয়ে থাকে।
Sign
& Symptoms(লক্ষণ ও উপসর্গ):
ক) সর্দি কাশি এবং জ্বর ও গলা ব্যথা দিয়ে ডিপথেরিয়া রোগের প্রথম প্রকাশ পায়।
খ) জ্বর খুব একটা বেশী হয় না তবে বেশ গলা ব্যথা করবে।
গ) ব্যাথার ১-২ দিন পর গলার ভিতরে পিছনের দিকে সাদা অথবা হলুদ রংয়ের একটি পর্দা তৈরী হয়। তার চারপাশে লালচে আভা দেখা যেতে পারে।
ঘ) মুখের ভেতর তালুর অংশে ডিপথেরিয়া হলে মুখ অবস হয়ে যায় ফলে রোগী কোন খাবার খেতে পারে না। এমন কি পানি খেতে কষ্ট হয়।
ঙ) নাক দিয়ে তরল খাবার, পানি, রক্ত ইত্যাদি বেরিয়ে আসতে পারে।
চ) স্বরযন্ত্রে ডিপথেরিয়া হলে কথা বলতে কষ্ট হয় এবং ফ্যাসফ্যাসে স্বর আর কাশি হয়।
ছ) শ্বাসনালীতে ডিপথেরিয়া হলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়ে এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে রোগীর মৃত্যু হতে পার।
ছ) টনসিলে ডিপথেরিয়া হলে টনসিল গ্রন্থিগুলো বেশ বড় হয় এবং টনসিলের মধ্যে বিষক্রিয়া সিমাবদ্ধ না থেকে চারিদিকে চড়িয়ে পড়ে ফলে গলার লিম্ফ নোডগুলো ফুলে যাবে এবং গলায় শোথ নেমে সমস্ত গলা ফুলে ও ঝুলে যাবে, দেখতে অনেকটা ষাড়ের গলার মত দেখায়।
ঙ) শিরার গতি দ্রুত এবং অনিয়ম হয়।
চ) রক্তচাপ ধিরে ধিরে কমে যেতে পারে এবং রুগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
Complication-(জটিলতা):
ক) ডিপথেরিয়া হৃদপিন্ড আর ন্সায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করতে পারে। আক্রান্ত হবার ফলে শিরার গতি
প্রথমে দ্রুত, পরে অনিয়মিত হয়। এক সময় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোগী মারা যেতে পারে।
খ) স্নায়ুতন্ত্রে আক্রামনের ফলে বিভিন্ন অঙ্গ অবস হয়ে যেতে পারে।
গ) হৃদপিন্ডের মাংসপেশীতে অবসের ফলে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিবে। ফলে রুগীর মৃত্যু হতে পারে।
Diagnosis-(রোগ নির্ণয়):
ক) টনসিল পরীক্ষা: যেহেতু ডিপথেরিয়া টনসিলেই বেশী হয়, তাই টনসিল দুটো অত্যন্ত যতেœর সাথে পরীক্ষা করতে হবে। ডিপথেরিয়ায় আক্রান্ত টনসিলের রং হবে কিছুটা কালচে বা ধূসর। টনসিলের উপর যে পর্দা পড়ে তা সহজে তোলা যায় না, তুলতে গেলেই রক্ত ঝরে।
খ) ল্যাবরেটরী পরীক্ষা: জীবাণু মুক্ত তুলা কাঠির সাহায্যে টনসিলের উপর থেকে লালা নিয়ে ডিপথেরিয়ার জীবাণু পরীক্ষা করা হয়।
Diagnosis-(চিকিৎসা):
* ডিপথেরিয়া যেন না হয় তাই পূর্বেই প্রতিশোধক হিসাবে DPT
& Hepatitis-B Vaccine হিসাবে ৬, ১০ এবং ১৪ সপ্তহ বয়সে তিনটি টিকা দেওয়া হয়।
* ডিপথেরিয়া সন্দেহ হওয়া মাত্র রোগীকে অবশ্যই নিকটস্থ সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠাতে হবে।
* ডিপথেরিয়া আক্রান্ত রোগীর জীবাণুর বিষ নিস্ক্রিয় করার জন্য যত দ্রুত সম্ভব (Anti-Diphtheria
Serum) ইনজেকশন প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
thanks
ReplyDelete